ঢাকা , শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬ , ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

​কাকে ভোট দেবেন, আহমাদুল্লাহর পর বললেন মিজানুর রহমান আজহারী.

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ২৭-০১-২০২৬ ০২:২৩:২৫ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ২৭-০১-২০২৬ ০২:২৩:২৫ অপরাহ্ন
​কাকে ভোট দেবেন, আহমাদুল্লাহর পর বললেন মিজানুর রহমান আজহারী. মিজানুর রহমান আজহারী.



ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কাকে ভোট দেওয়া উচিত, এ প্রসঙ্গে পরামর্শ দিয়েছিলেন প্রখ্যাত ইসলামি স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহ। নিজের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ করা এক ভিডিওতে তিনি সবচেয়ে ভালো লোককে ভোট দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন।

এবার একই ধরনের পরামর্শ দিলেন আরেক প্রখ্যাত ইসলামী স্কলার মিজানুর রহমান আজহারী। তিনি আজ মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে লিখেছেন, ‘ভোট একটি আমানত। সৎ, যোগ্য ও দেশপ্রেমিক প্রার্থীকে ভোট দিন।’

এর আগে আহমাদুল্লাহ বলেন, ‘দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাস, ঘুষখোর, রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুণ্ঠনকারী, মিথ্যাবাদী, ধর্মের প্রতি উদাসীন, খোদাদ্রোহী ব্যক্তিদের প্রার্থী হওয়া বা ক্ষমতায় বসার কোনো সুযোগ ইসলামে নেই। নির্বাচনপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য ইসলাম সর্বদা ব্যক্তির সততা, যোগ্যতা, খোদাভীতি, ইমান-আমল, জ্ঞান ও চারিত্রিক গুণাবলিকে প্রাধান্য দিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘ইসলামের দৃষ্টিতে নির্বাচন প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ হওয়া যেমন জরুরি, প্রার্থী বা নির্বাচিত ব্যক্তিও তেমন সৎ-যোগ্য, জ্ঞানী-গুণী, চরিত্রবান, খোদাভীরু, আমানতদার, ন্যায়পরায়ণ, দেশপ্রেমিক, মানবদরদি ও দায়িত্বানুভূতিসম্পন্ন হওয়া তার চেয়েও বেশি প্রয়োজন।’

এ প্রেক্ষাপটে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার পাশাপাশি নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে জনমনে জানিয়ে আহমাদুল্লাহ বলেন, অনেকেই জানতে চাচ্ছেন, জাতীয় নির্বাচনে কী দেখে কাকে ভোট দেওয়া উচিত। ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে কাকে ভোট দিলে সৎ এবং যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দেওয়া হবে, এটা আপনার বিবেককে জিজ্ঞাসা করবেন। 


তিনি বলেন, ‘আপনি যদি সঠিকটা উদ্ধার করার চেষ্টা করেন, কিন্তু এরপর দেখলেন যে, না আপনি আসলে যেটাকে সঠিক মনে করেছেন সেটা সঠিক হয় নাই, লোকটা রাইট পার্সন না- এ জন্য আল্লাহর কাছে আপনার কোনো দায় থাকবে না। তবে চেষ্টা করতে হবে, যে কয়জন আছে এর মাঝে সবচেয়ে ভালো সৎ-যোগ্য মানুষ কে। সে জিতবে কী জিতবে না এটা আপনার দেখার বিষয় না। আমাদের দেশের বেশিভাগ মানুষ এই জায়গাটায় এসে ভুল করে। মনে করে যে, তাকে ভোট দিয়ে লাভটা কী! ভোট নষ্ট হবে।’

ভোট নষ্ট হয় না উল্লেখ করে আহমাদুল্লাহ বলেন, ‘একটা ভালো মানুষ যদি অল্প কয়টা ভোটও পায়, তাহলে সে এটার ওপর ভিত্তি করে সামনে আরও কয়টা পাবে,তারপর আবার আরও কয়েকটা পাবে। কিন্তু আপনি যদি ভোট দেওয়ার রাস্তাটা বন্ধ করেন অথবা সে ভোট কম পাবে এটা ভেবে আরেকজনকে ভোট দেন, তাহলে এই চান্সে খারাপ মানুষগুলো তাদের খারাপের রাজত্ব আরও বেশি করে করতে পারবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘কেউ জিতুক সেটা আপনি চাইতে পারেন, কিন্তু জেতানো আপনার দায়িত্ব না। আল্লাহর কাছে দায়িত্ব হলো, আপনার কাছে মত চাওয়া হয়েছে, এখন আপনি মত দেওয়ার সময় সবচেয়ে ভালো লোকটাকে মত দেবেন। এটা হলো আপনার কাজ।’

নিউজটি আপডেট করেছেন : News Upload

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ